
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা হলেন কাবেরুল ইসলাম লিটন। তিনি ৮০ এর দশকের বিপ্লবী ছাত্র নেতা যার হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল ঢাকা কলেজ এর শাখা এবং তার হাতে প্রতিষ্ঠা হয়েছে ঢাকা ও ঢাকা মহানগর ছাত্র দল।তিনি সেই সাথে ছিলেন ঢাকা কলেজ ছাত্র দল এর সভাপতি এবং ঢাকা ও ঢাকা মহানগর এর ছাত্র দল এর সহ সভাপতি। তিনি হলেন একসময়ের রাজপথ কাঁপানো বিপ্লবী ছাত্র নেতা। যার হাত ধরে তৈরী হয়েছে হাজারো ছাত্র নেতা। তিনি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে অন্যতম।যার কথায় একসময় চলতো বিএনপির কেন্দ্রীয় থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃত্ব। কাবেরুল ইসলাম লিটন এমন একজন জনবান্ধব নেতা যিনি এত বড় বড় পদে থাকার পড়েও কখনো নিজের স্বার্থে কিছু করে নি এবং কখনো নিজেকে কারো কাছে অহংকার এর ছলে প্রকাশিত করে নি।তিনি সবসময় সাধারণ ভাবে চলেছেন এবং সাধারণ ভাবেই বর্তমানেও আছেন। কাবেরুল ইসলাম লিটন এর অবদান যদি বলা যায় তাহলে তার অবদান এর কথা বিএনপি বা সাধারণ জনতা বলে শেষ করতে পারবে না। তিনি হলেন নীলফামারী জেলার গর্ব জনতার উন্নয়নের কারিগর।তিনি দল এবং জনতার উন্নয়ন করতে গিয়ে সহ্য করেছে হাজারো নিপীড়ন। সন্তান স্ত্রী সহ ছিলো নির্বাসনে যা নীলফামারী জেলার কোনো নেতা আজ অবধি এরকম কঠিন পরিস্থিতি এর সমমুখীন হয় নি। তাই নীলফামারী- ২ আসনে এমন একজন ত্যাগী এবং জনবান্ধব নেতাকে আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ ধানের শীষ প্রতীক এ নীলফামারী সদর এর সাধারণ জনতার ভোটের মাধ্যমে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন করা এখন নীলফামারী সদর বাসীর দাবি। যা শুধু নীলফামারী বাসীর উন্নয়নে আসবে না কাবেরুল ইসলাম লিটন ক্ষমতায় গেলে সারা বাংলাদেশে এর সাধারণ জনতা তাদের অধিকার ফিরে পাবে বিএনপি খুঁজে পাবে একজন যোগ্য জনবান্ধব নেতা।যার অতীত অবদান খুজলে সব খুজে পাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
Sourceঃ Daily World