
নীলফামারী প্রতিনিধি: একজন ভোটার তখনই তার গনতন্ত্র ফিরে পায় যখন সে তার সংসদ আসনে যোগ্য প্রার্থীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার জন্য নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে। আর নীলফামারী বাসীর কাছে এ গনতন্ত্রের মানসপুত্র হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর যোগ্য রক্ষক নীলফামারী সদর এর দক্ষ উন্নয়নের হাতিয়ার কাবেরুল ইসলাম লিটন। কাবেরুল ইসলাম লিটন দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে নীলফামারী সদর এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে বিপ্লবী যোদ্ধা হিসেবে বিএনপির হাত ধরে নিজের জেলা নীলফামারীকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। যার কাছে শুধু নীলফামারী বাসীর উন্নয়নই মুখ্য বিষয়।তিনি সবসময় একটা কথা বলেন, “আমি ক্ষমতা বা নেতৃত্ব চাই না আমি চাই আমার নীলফামারী বাসীর উন্নয়ন ও তাদের মুখে সুখের হাসি”।আর সে পথ ধরে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে নীলফামারী সদর এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।তার কাজে কখনো নিজের জন্য চিন্তার ছাপ ফুটে উঠে নি, ফুটে উঠেছে শুধু তার এলাকার সাধারণ মানুষের জীবন কাহিনি ও সেই সব মানুষের রক্ষক হিসেবে তাদের জান মাল হেফাজত করার মানসিকতা। তিনি যখন যেখানে দেখেছেন বা শুনেছেন কেউ কোনো সমস্যায় আছে তার এটা বা ওটা দরকার তখনই যেভাবে পারুক তাকে সেটা দিয়ে তিনি সহযোগিতা করেছেন এবং সেই ভুক্তভোগীর সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন।যা আজ পর্যন্ত নীলফামারী সদর এর জন্য কোনো নেতা করেনি,করেছে শুধু একমাত্র জনতার আস্থার যোগ্য অবিভাবক কাবেরুল ইসলাম লিটন। আজ অবধি নীলফামারী সদর এ ৭০-৮০% উন্নয়ন তিনি সংযুক্ত থেকে করেছেন।যা বাংলাদেশ এর ইতিহাসে বিরল। নীলফামারী সদর এর মানুষ আজ শুধু একজনকেই জানে তাদের উন্নয়নের কারিগর হিসেবে।এক কথায় বলতে গেলে বুঝা যায় কাবেরুল ইসলাম লিটন শুধু উন্নয়নই করেনি তিনি নীলফামারী সদর এর সর্ব স্তরের মানুষের সাথে মিশেছেন এবং তাদের ভালোবাসা পেয়েছেন।তার আশা আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ নীলফামারী -২ সংসদ আসনে তিনি ধানের শীষ প্রতীক এ মনোনয়ন পেয়ে জনতার ভোটে যোগ্য ভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন এবং নীলফামারী বাসীর উন্নয়নের ধারা তার কাজের মাধ্যমে অব্যহত রাখবে।
Source : Daily World