1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. dailyworld@gmail.com : dailyworld :
অনাথ জীবন লেখক ইমরান খান - dailyworld
১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| শুক্রবার| সকাল ৬:৫৪|
শিরোনামঃ
হোটেল সোনারগাঁওয়ে বসছে ‘দুবাই সিটি বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ হাজীগঞ্জে ২২ সেপ্টেম্বর দিনব্যাপী ওয়াজ মাহফিল ভাড়ার টাকায় নিজের ফ্ল্যাটের মালিক—মধ্যবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের স্বপ্নপূরণে নতুন সম্ভাবনা নীলফামারীর হাজীগঞ্জে খাসজমি দখল ও বিক্রির তদন্তে সত্যতা, নির্দেশের দুই মাসেও নেই মামলা সৃজন নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আব্দুল মোমিন Kaberul Islam Liton Expresses Interest in Serving as Chief Advisor of Nilphamari Sadar Welfare Foundation to Help Build a Better Nilphamari নীলফামারী পৌরসভায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি উপলক্ষে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি উন্নত নীলফামারী সদর বিনির্মাণে নীলফামারী সদর এর ১৫টি ইউনিয়ন ও প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি গঠন করবে Nilphamari Sadar Welfare Foundation উন্নত নীলফামারী সদর, সমৃদ্ধ আগামী গঠনে Nilphamari Sadar Welfare Foundation-এর অঙ্গীকার চলচ্চিত্রের স্বার্থে অভিজ্ঞতার আলো নিয়ে মাঠে জাতীয় বীর চিত্রনায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা

অনাথ জীবন লেখক ইমরান খান

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫
  • ৪১৬ Time View

গল্প :

আমি সেদিন শহরের মধ্যে দাড়িয়ে রয়েছি সরকারি চাকরি করি তাই গাড়িতে করে বাড়ি আসতে হয়। আমি চারদিকে লক্ষ করে দেখতেছি এমন সময় দেখতে পেলাম এক অনাথ কষ্ট বেদাদুর ভরা জীবন নিয়ে নির্মম কঠিন মূহুর্ত নিয়ে দাড়িয়ে। মনে হয় পেটে ছেলেটির কিছুই নেই। খিদের জ্বালায় শরীর আর চলে না। মরণাপন্ন অবস্থা তবুও কাউরে বলতে পারে না নির্মম জীবন পরিহাসের কথা। আমি তার কাছে গেলাম।বাবা তোর নাম কী রে।সে বললো আমার নাম শাহাদ।সে হাসি মুখে আমার দিকে দৃষ্টি দিয়ে বললো আপনার নাম কী। আমার নাম শাহীদুল আলম।আমি শাহাদকে জিজ্ঞেস করলাম তোমার বাবা – মা নেই। না, আমার জন্মের পর তারা দুজন মহামারী করোনা ভাইরাসে বিধাতার দোয়া সাড়ে তিন হাত কবরে চলে গেছে। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের দায় এই অনাথ শাহাদ বেচে আছে। কেউ এ বিশাল সমাজে আমার মতো হাজারো অনাথকে দেখার নেই। তাই আমাকে “সুখী অনাথ আশ্রম” এ কোনো দরদী এক মানব রেখে গেছে। কিন্তু এখানে কই সুখ।প্রতি নিয়ত হতে হয় নির্যাতিত আর “সুখী অনাথ আশ্রম” এর মালিকের গালি।এটাকে জীবন ভাবতে বড় সংকোচ লাগে। সেই মহামারীতে যদি মরে যেতাম তবে ভালো হতো।সহ্য করতে হতো না এত নির্মম নির্যাতনের বলিষ্ঠ বারি।হতে হতো না ধিক্কারের মাঝে জীবনকে বহানো।এ ‘সুখী অনাথ আশ্রম” এ সরকারি মহলক হতে আমাদের জন্য অনেক অনুদান আসে। খাওয়া, পোশাক, পরিচ্ছদ সকলের জন্য আসে। কিন্তু আশ্রমের মালিক লারিস সব আত্ম জিম্মিতে রাখে। পকেটে সব ভরিয়ে কোটি টাকার পাহাড় গড়েছে।আমি হাহাকার অনুতপ্ত কণ্ঠে বিশ্ব মানবতার কাছে চিৎকার করে জানালাম হে,বিশ্ব বাসী তোমরা কী অজ্ঞ। বিশ্বে কী হচ্ছে প্রতি নিয়ত এ অনাথ শত শত শিশুদের প্রতি নির্মম নির্যাতন।যারা অবহেলিত ভাবে অনাথ হয়ে জীবন কাটাচ্ছে তাদের কী একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারো না শাহাদের মত অনাথ ও তে মানুষ। তাদেরো তো এ সমাজে সমান অধিকার আছে।তারা কী একটু সহানুভূতির আলো পেতে পারে না। আমি বললাম বাবা শাহাদ,লারিস তোমার প্রতি এত নির্মম নির্যাতন চালায়।তুমি তো বড় হয়েছো। এখন যেকোনো কাজে লেগে খাদ্যের আর অভাব হয় না।শাহাূ বেদনা ভরা কণ্ঠে বললো আপনি কী বলতে চান। কিছু না আমি বলতেছি এত কষ্ট সহ্য না করে অন্যের দ্বারে প্রার্থনার হাত বাড়িয়ে না দিয়ে নিজে কাজ করে খেতে পারো না শাহাদ ভারাক্রান্ত কণ্ঠে বললো পারি না স্যার কাজ করতে। লারিস এত নির্মম মানব বাহির হতে কখনো দায় না।তার সামনে মুখ ফুটে দুটো কথা বলতে পারি না। অনাথ আশ্রমে বন্ধি করে রাখে তার নিজের কাজ গুলো আমাদের দ্বারা করে নায়।যদি কোনো কাজ একটু ভূল হয় তাহলে চালায় নির্মম অত্যাচারের অগ্নি শিখা পিষ্ট করে মা’রে বিষাক্ত জাতাঁকলে এ আমাদের মত শত শত অনাথদের আমরা কিছু বলতে পারি না মনে হয় আমরা সমাজের আগাছা সমাজ থেকে নির্মূল করে লারিস এর মত সহস্র আভিজাত্য শীল মানবাধিকার কর্মীরা। অকট্য মারধর করে করে বাঘের মত গর্জে উঠে মনে হয় আমরা বনের নিরীহ প্রাণী।তার সামনে মাথা নত করে থাকতে হবে নইলে মে-রে ফেলবে।ভালো মত খাদ্য দায় না। দিনে একবার কোনোদিন খাদ্য জুটে না তবুও চালায় নির্মম নির্যাতন। বাবা – মা নেই জন্মের পড়ে করোনা ভাইরাসে মারা যায়।রাখিয়ে গেছে এ মহা পৃথিবীর বুকে শাহাদের মত অধমের রাখিয়া গেছে আমার চোখে শুধু অশ্রু ঝরছে আর নিরবে সব বার্তা তার কর্ণগোচরে নিতেছি।সে বলতে থাকে কেমন করে আজ এ অনাথ জীবন পেলাম। যদি দুরারোগ্য মহামারীতে মরে যেতাম তাহলে ভালো হতো।আজ বার বার দুঃখ বাড়ে।আর আমাকে কাতর করে রাখে আমার যদি মরণ হতো এ ধরনীর বুকে শাহাদের মত অবহেলিত নির্যাতিত কোনো থাকতো না অনাথ জীবন। অনাথ বলে কাউরে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হতো না এ মস্ত বড় শান্তি ময় পৃথিবীতে। এ ধুলোময় রাজপথে আজ আর হাহাকার কণ্ঠে জীবন অতি বাহিত করতে হতো না।শাহাদের এ নির্মম পরিহাসের কথা শুনে বেদনায় ফেটে যাচ্ছে এ রিদয়।গরমের অধিক তাপে মাটির চৌচিরতার মতো প্রানটা চৌচীর হয়ে যাচ্ছে। শাহাদকে সামনে হোটেল ছিলো সেখানে নিয়ে শান্তি মত খাওয়া লাম।মনে হয় তার প্রানটা খাদ্যের জন্য হাহাকার হয়ে আছে। তাকে যে ভাবে দেখলাম খাদ্য খাচ্ছে। সেটা কোনো মানব দেখলে ভয় পেতো।বাঘ যেমন করে খাদ্য খায় তেমন করে নিচ্ছে আর খাচ্ছে। পরনো ছিড়া ফাটা ময়লা পোশাক। আমি ভাবলাম পৃথিবীতে তো অনাথ সমপ্রদায়ের জন্য কিছু করতে পারবো না আমি ও তো নিম্ন শ্রেণির চাকুরীজীবি। কীভাবে গরীব অভাবিদের সাহায্য করবো। তাই মানবতা বাদী বিশ্বকে এ মাধ্যমে জানিয়ে দেই এ নিপীড়িত অনাথ শত শত শিশুদের নিজের জীবনকে পরিবর্তনের জন্য মন থেকে সাহায্য করার জন্য। আমি সেদিন শাহাদকে তার জীবনের এ দুঃখ মোচনের লাগি অনাথ আশ্রমে নয় সরকারি শিশু নিবাসে রেখে আসলাম। নিজের পিতার মতো মায়া ভালো বাসা দিয়ে বড় করার দায়িত্ব নিলাম। যেন এ সমাজে শত শত অনাথ শাহাদের মত লারিস নামক আভিজাত্যশালী শয়তানের কাছে নির্মম ভাবে বলি না হয়। তারাও নিজেকে সমাজের একজন ভেবে স্বাধীন ভাবে জীবন পরিচালনা করতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026