1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. dailyworld@gmail.com : dailyworld :
সরকারি সুবিধার আশ্বাসে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ? গোড়গ্রামে গ্রাম পুলিশ মিনহাজকে ঘিরে বেরিয়ে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য - dailyworld
৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| শুক্রবার| ভোর ৫:২৭|
শিরোনামঃ
নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আব্দুল মোমিন Kaberul Islam Liton Expresses Interest in Serving as Chief Advisor of Nilphamari Sadar Welfare Foundation to Help Build a Better Nilphamari নীলফামারী পৌরসভায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি উপলক্ষে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি উন্নত নীলফামারী সদর বিনির্মাণে নীলফামারী সদর এর ১৫টি ইউনিয়ন ও প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিটি গঠন করবে Nilphamari Sadar Welfare Foundation উন্নত নীলফামারী সদর, সমৃদ্ধ আগামী গঠনে Nilphamari Sadar Welfare Foundation-এর অঙ্গীকার চলচ্চিত্রের স্বার্থে অভিজ্ঞতার আলো নিয়ে মাঠে জাতীয় বীর চিত্রনায়ক মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা উজ্জ্বল-লিপু প্যানেলের প্রার্থী চিত্রনায়ক সোহেল রানা, আগামীকাল থেকে পুরোদমে নামছে নির্বাচনী প্রচারণায় বাংলা চলচ্চিত্রের সুদিন ফেরাতে নির্বাচনী মাঠে জাতীয় বীর চিত্রনায়ক সোহেল রানা “অন্য মনের সনে” কলমে:মোঃ শিবলী নোমান প্রচুর পাগলামি কলমে-শুভায়ন দে

সরকারি সুবিধার আশ্বাসে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ? গোড়গ্রামে গ্রাম পুলিশ মিনহাজকে ঘিরে বেরিয়ে আসলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

নীলফামারী প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ২২৯ Time View

নীলফামারী সদর উপজেলার গোড়গ্রাম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) মোঃ মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজের বিরুদ্ধে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন ভাতা পাইয়ে দেওয়ার নামে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে টাকা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বহু মানুষের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা সংগ্রহ করেছেন। তবে অধিকাংশ ভুক্তভোগী এখনো কোনো সরকারি সুবিধা পাননি।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, গোড়গ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র পরিবার সরকারি ভাতার আশায় মিনহাজের কাছে টাকা দেন। অনেকেই ধারদেনা করে কিংবা সুদে টাকা এনে তার হাতে তুলে দেন। অভিযোগ রয়েছে, সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো ভাতার কার্ড হয়নি।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জাকারিয়া ইসলামের স্ত্রী আকলিমা আক্তারের কাছ থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ৪ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়া হয়। একইভাবে শামসুন্নাহারের কাছ থেকে বিধবা ভাতার কার্ডের জন্য ৩ হাজার ৫০০ টাকা, লতিফা বেগমের কাছ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং লাভলী বেগমের কাছ থেকেও ৩ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী রাহাত ইসলাম বলেন, আমার মায়ের বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে মিনহাজ ৩ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন। শুধু আমাদের না, অনেক অসহায় মানুষের কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ কোনো সুবিধা পায়নি। অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, ইউনিয়ন পরিষদকেন্দ্রিক বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করে মিনহাজ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অর্থ বাণিজ্য পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গোড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোঃ আলমগীর হোসেনের ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে তিনি এলাকায় প্রভাব খাটাতেন। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মিনহাজের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও প্রভাবশালী মহলের কারণে অনেকে মুখ খুলতে সাহস পান না। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তিনি বিভিন্ন নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। এছাড়াও অর্থের বিনিময়ে স্থানীয় কিছু মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার সখ্যতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন কয়েকজন এলাকাবাসী। একজন গ্রাম পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারণ গ্রাম পুলিশ স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনসেবামূলক কাজে সহায়তার দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রতারণা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ সাধারণ মানুষের রাষ্ট্রীয় সেবার প্রতি আস্থা নষ্ট করতে পারে।
শুক্রবার (১৫ মে ২০২৬) বিকেলে কয়েকজন ভুক্তভোগী টাকা ফেরত ও জবাবদিহি চাইতে মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে স্থানীয়রা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভুক্তভোগীদের অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026