কবিতা :এই জগতে হায় সেই বেশি চায় ভুরি ভুরি যার আছে , আশা নিয়েই বাঁচে তবে এ দুনিয়ায় সবাই সবার মাঝে। আশা মোদের বেঁচে থাকার চাবি তাইতো পাবার আশে
কবিতা :সবাই যেনো গভীর ঘুমে মগ্ন আমি বসে গুনছি প্রহর, সেচ্ছাচার মনটা আজ খুঁজে বেড়ায় শান্তির শহর। কেনো চারিদিকে সব চুপচাপ করছি অনুভব, উঠানে পড়েনি চাঁদের আলো নেই কোথাও
কবিতা :গরিবি মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসো, সংকল্প করো নিজে থেকে কিছু করার। এক বেলা পেটে না জুটলে ভাত, আত্মবিশ্বাসটা যেন না হয় ফেরার। জন্ম না হোক সোনার চামচ মুখে,
কবিতা :বিশ্ব মোড়ল আমেরিকা সন্ত্রাসী এক দেশ, বোমা দিয়ে ধ্বংস করছে গাজার শিশু শেষ। সন্ত্রাসী দেশ ইসরায়েলের দাও ছেড়ে তো হাত, মানবতার থাকলে তবে মারবে সবাই লাথ। ইহুদি তো
কবিতা স্বপ্ন তোমার পূর্ণ হলো আমার স্বপ্ন বাকী, ছোট্ট একটা বাড়ির স্বপ্ন হৃদয় মাঝে আঁকি। সবুজে ঘেরা সেই বাড়িতে বইবে দক্ষিণ হাওয়া, হতাশা ভুলে বলবো খুলে মনের যতো চাওয়া। মুয়াজ্জিনের
কবিতা :হায়রে জুলাই বুক ফেটে যায়,কাঁদালি আাবার আর কত মায়ের কোল হবেরে খালি বারবার। চব্বিশের জুলাই মৃত্যুকে ডেকেছিল ইশারায়, ‘এসো আমরা দাঁড়িয়ে আছি অপেক্ষায় । ‘ বলেছিল এদেশের যতসব
কবিতা :আমরা মুক্ত পাখির মতো দাঁড়িয়ে আছি তাকিয়ে তাকিয়ে বীভৎস চিৎকার শুনছি মায়ের চোখের জল, বোনের আত্মচিৎকার ছোট ভাইয়ের অশ্রু ঝরা কান্না সন্তানদের নিরব চোখের জল ! আর কত
কবিতা :ছন্দরা এসে ছন্দ দেয়নি শব্দ গুলো আসেনি ভেসে কবি যেনো কেঁদে দিলেন কবিতা লিখতে বসে। গুনি জনদের সাড়া পায়নি কি ভাবে ছন্দ এসে মেলে? নৈপুণ্যেতা ছড়িয়ে পড়েনি মিলবে
কবিতা : পুরনো দিনের যত ময়লা আবর্জনা ঘৃণ্য ধুলো বালি তাল বেতালে চলা সর্ব ছাড়িয়া আজিকে শুভ নববর্ষকে এবেলা নিলাম মোরা বিদ্রোহী বিপ্লবী পলক ঝলক বার্তা ছড়ানো কোটি পুষ্প