
Daily World Desk: হামাসের প্রয়াত শীর্ষ নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারের স্ত্রী সামার আবু জামার গাজা থেকে পালিয়ে তুরস্কে গিয়ে আবারও বিয়ে করেছেন। গাজা থেকে পাওয়া একটি সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াইনেট’ এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম কয়েক মাসে গাজা থেকে হামাস নেতাদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার একটি বড় অভিযানের অংশ হিসেবে সামার আবু জামারকেও বের করে আনা হয়। পরে তাঁকে একটি ভুয়া পাসপোর্ট ব্যবহার করে রাফা সীমান্ত দিয়ে মিসরের পথে তুরস্কে পাঠানো হয়।
গাজার সূত্রটি ওয়াইনেট-কে বলেন, ‘তিনি (জামার) এখন আর এখানে নেই। তিনি তুরস্কে, বাচ্চারাও সঙ্গেও আছে।’ ওই সূত্র বলেন, ‘তিনি গাজার আরেক নারীর নামে ভুয়া পাসপোর্ট নিয়ে রাফা ক্রসিং পার হন। এর জন্য প্রয়োজন হয় ব্যাপক সহায়তা ও প্রচুর অর্থ—যা সাধারণ কোনো গাজাবাসীর পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়।’
প্রতিবেদন আরও উল্লেখ করেছে, তুরস্কে সামার আবু জামারের নতুন বিয়েতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রভাবশালী সদস্য ফাতিহ হামাদ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গাজা থেকে নিখোঁজ রয়েছেন ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ভাই মোহাম্মদ সিনওয়ারের স্ত্রী নাজওয়া সিনওয়ারও। তবে তাঁর গাজা ছেড়ে যাওয়ার স্পষ্ট প্রমাণ নেই। আবার তাঁর কোনো ছবি বা অবস্থানসংক্রান্ত তথ্যও সামনে আসেনি। এতে ধরে নেওয়া হচ্ছে—তিনিও আর গাজায় নেই।
এমন প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্র নিশ্চিত করেছে, সামার আবু জামার ও নাজওয়া সিনওয়ার উভয়েই রাফা সীমান্ত দিয়ে গাজা ছাড়েন।
অন্যদিকে, একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ নারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে এখনো গাজায় অবস্থান করছেন মোহাম্মদ দেইফের স্ত্রী উম্মে খালেদ। অনলাইনে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি একটি সাদামাটা ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে অবস্থান করছেন এবং বলছেন, ‘আমি পালিয়ে যাচ্ছি না। আমি আমার জনগণের সঙ্গে আছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ঘরে চারটি তোশক আর একটি চট আছে। যুদ্ধের আগে যেমন ছিল, এখনো তেমনই আছে।’
Daily World