জীবন সৈকতে দাঁড়িয়ে একাকী হঠাৎ বিষন্ন মন মধুর স্মৃতিরা চোখের তারায় উতলা করেছে ক্ষণ। সঙ্গী ছিল যত বেদনা দেবার জানিনা কোথায় তারা সুখের শ্রাবণে ভাসাতো যাহারা তারা আজি পথ হারা।
হিহি করে হেসে পৌষ এলো শেষে সারা শরীরে হিমেল মেখে, বুড়ো বুড়ি সব নিদারুণ কেশে লেপ কম্বলে রয় ঢেকে। নিদারুণ দশা একি হল মেশো মশা বলিতে পারিনা যেন, বাক্য স্বর
মঞ্চে তখন কবিতার ফুলঝুরি ছুটছে শব্দগুলো বুলেটের মতো মনের ভেতর বিদ্ধ হচ্ছিল আমি শুনছিলাম আর অনুভব করছিলাম কবিদের কথামালার কলাকৌশল। আধপেটা খেয়েও কবিতার হাত ধরে ছুটে বেড়ায় নদী, পাহাড়,ঝরনার নিসর্গ
ফেলানীরা আজো ঝুলে আছে তারকাটায়, ঠিক যেন একটি মানচিত্র সেটে আছে দেয়ালে। মরণে ভ্রমণ করে প্রমাণ করতে পারেনি তার মৃত্যু কোন এজলাশের বাকবিতন্ডায় চাপা পড়ে চিৎকার কাগজের পাতায় ভেসে উঠে
আমি ভীষণ একলা থাকা মানুষ, আমি শুধু আমার ভেতর থাকি। যত্ন করে খুব খেয়ালে রোজ, আমি’টাকে আমার ভেতর রাখি। আমি ভীষণ অভিমানের মেঘ, আমি ভীষণ ক্লান্ত একা ভোর। কষ্টগুলো রোজ
অপ্রিয় সত্য কথাটা মন্দ লাগলেও জীবন চলার পথে সেটাই কাজের, যদিও জ্বালা ধরায়’ বদ-সমাজের, তবু তা ‘মঙ্গলময়’ কানে বাজলেও ! ঐরূপ সত্য’কথায় কেউ কাঁদলেও বিকশিত উত্তরণে’ উন্নতি নিজের, হবেই অঙ্কুরোদগম’
কেন ফিরে আসো পাখি আপন নীড়ে? উত্তুরে হাওয়ায় ভেসে ওঠে স্থবির চোখ তবু আশ মেটে না কনকনে শীতে, কাঁপছে শোকে পাতাগুলো নিঃশব্দে সব রঙ হারিয়ে চলে গেছে মাছরাঙা অনেকক্ষণ বসে
তুমি কেনো প্রতি বার মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ, কেনো এতো ক্ষোভ,যাতনা ঢেকে রাখছো? সজল নয়নে দেখি দুঃখের বিকাশ ? হাসিতে ও দেখি ব্যথার প্রকাশ, যে বিষ তুমি কন্ঠে ধারণ করেছ, কেনো
পথ চলতে ভয় লাগে পাইনা কোনো স্বস্তি, কারো সাথে বলিনা কথা লাগে যদি কুস্তি । নিরব মুখে পথ চলে যাই চাইনা কোনো দিকে , দেখে আমায় কেউ যদিগো ক্রোধে যায়
শীতের ভোরে ঘুম থেকে উঠি, বাইরে দেখি সাদা কুয়াশা, মাটির ঘাসে শিশির ঝরে। কিন্তু প্রবল শীতে মানুষের মনে জমে হতাশা। কুয়াশার কুহেলিকায় চারপাশ ঢাকা, রাস্তাঘাট নিস্তব্ধ, নীরব আর ফাঁকা। সাদা