
কেন ফিরে আসো পাখি আপন নীড়ে?
উত্তুরে হাওয়ায় ভেসে ওঠে স্থবির চোখ
তবু আশ মেটে না কনকনে শীতে,
কাঁপছে শোকে পাতাগুলো নিঃশব্দে
সব রঙ হারিয়ে চলে গেছে মাছরাঙা
অনেকক্ষণ বসে থেকে ধূসর পেঁচার মত
ফিরে এসেছে কবিতা মুখভার করে,
তবুও সাধ জাগে শিশিরের অন্ধকারে
ডুব দিয়েছে হয়তো কোন এক নিশীথে
গোধূলির আমন্ত্রণে দিয়েছে হানা দুর্বৃত্তরা
যদিও ক্ষমা চায় নিরাশার দোলাচলে,
জীবন করেনি কোনও প্রতিবাদ হয়তো
ভুলিয়ে দিতে চায় আমাকে মরিচীকা
ঘুমন্ত শিশুর মতোই জেগে ওঠে চেতনা,
জাগিয়েছে তোমাকে দীর্ঘশ্বাস ফেলে
নক্ষত্রের শেষ ইচ্ছেয় খুঁজে পায় মুক্তি
পৃথিবীর এত সুখ পেতে চায়নি নিয়তি,
ফিরে আসে বারংবার ব্যর্থ হয়ে মাটিতে
হারিয়ে যায় কুয়াশায় ঢাকা আকাশে
তবুও কি ভুলতে পারে মরণের ব্যাথা?
তোমার-আমার এই সব চিরন্তন কথা
জীবন করেনি কোনও ক্ষমা কোনদিন
তবে ছদ্মবেশ ধরে প্রতিনিয়ত নতুন সুরে
সোনালী চিলের মতই বাঁক নিয়ে বহুদূরে,
আকাশে এখন ধূসর মেঘের হাতছানি
দূরে সরে গেছে পাতলা ধোঁয়াশার স্তর
তোমার চোখের আড়ালে লুকিয়ে হাসে,
জোনাকির আলোয় আলোকিত জীবন
যদিও নিভে যায়নি বাতাসে রাতের দীপ
চাঁদের মতোই জেগে থাকে স্মৃতিগুলো,
ঝিকিমিকি করে আলোকবর্ষ দূরে হয়তো
খুঁজে পাই নিজেকে অসহায় জোৎস্নায়
ধুয়ে গেছে নিরবে কোথায় যেন একদিন!
কাছে আসে অতীত চুপিসারে শিয়রে
তোমার মতন ভরা দুপুরে চিলেকোঠায়।